Wednesday, August 20, 2025

‘বন্ধু’ মেসির সঙ্গেই অবসর নিতে চান সুয়ারেজ

‘বন্ধু’ মেসির সঙ্গেই অবসর নিতে চান সুয়ারেজ

 মেসি-সুয়ারেজ-নেইমার ত্রয়ী ফুটবল ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা আক্রমণভাগ গড়ে তুলেছিলেন। বার্সেলোনার সেই আক্রমণভাগ ভেঙে যায় ২০১৭ সালে নেইমার বিশ্বরেকর্ড গড়ে পিএসজিতে যোগ দিলে। কিন্তু মেসি-সুয়ারেজ জুটি একসঙ্গে খেলে গেছেন ২০২০ সাল পর্যন্ত। এরপর বেশ কয়েকটি ক্লাব ঘুরে মেসি-সুয়ারেজ ফের জুটি বেঁধেছেন ইন্টার মায়ামিতে। ফুটবলের বাইরেও তাদের বন্ধুত্বের গল্প সবার জানা। প্রায়ই এক সঙ্গে ছুটি কাটাতে দেখা যায় তাদের।

     বন্ধু মেসির সঙ্গেই অবসরে যেতে চান সুয়ারেজ। ছবি: রয়টার্স

১৮ টা ৩৭ মিনিট, ২০ আগস্ট ২০২৫

মায়ামিতে খেলা লুইস সুয়ারেজ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের সতীর্থ লিওনেল মেসির সঙ্গেই অবসর নিতে চান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, কোনো খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়।


মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সুয়ারেজ বলেন, 'আমরা দু’জনই এখন যথেষ্ট বয়স্ক। আমাদের প্রত্যেকেই নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেব—যেটা আমাদের ব্যক্তিগত কল্যাণের জন্য সঠিক হবে। আমার ক্ষেত্রে, আমি এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। আমি শুধু বলতে পারি, আমি তার সঙ্গে অবসর নিতে ভালোবাসব, কারণ আমরা বহু বছর ধরে একসঙ্গে অবসর নেওয়ার কথা বলেছি। এটা হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে আমার নবায়ন, তার নবায়ন এবং সঠিক সময়ে আমাদের নিজ নিজ সিদ্ধান্তের ওপর।'

২০২৫ এর এমএলএস মৌসুম শেষে মেসি ও সুয়ারেজ উভয়ের সঙ্গেই ইন্টার মায়ামির চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।  ইএসপিএনের সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ক্লাব ও মেসির মধ্যে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং উভয় পক্ষই মাঠে ও মাঠের বাইরে সম্পর্ক চালিয়ে যেতে আগ্রহী।



ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে সুয়ারেজ বর্তমানেই মনোযোগী হতে চান। তিনি ইন্টার মায়ামির উন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, 'আমি খুশি, শারীরিকভাবে ভালো লাগছে, দলকে সাহায্য করছি। ক্লাব যদি চায়, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা দু’জন একই পথে আছি, ইন্টার যেন ক্লাব হিসেবে আরও বড় হয়, ভালো খেলোয়াড় আনে, আর লিগটিও যেন আরও এগিয়ে যায়। বছরের শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারটা এখনই বলা যায় না। ফুটবলে পরিকল্পনা থাকে, কখনও সফল হয়, কখনও ব্যর্থ। আপাতত আমি ইন্টার মায়ামিতে এই সময়টা উপভোগ করছি, তারপর দেখা যাবে।'

ইন্টার মায়ামির পরবর্তী ম্যাচ টাইগ্রেস ইউএএনএল'র বিপক্ষে। লিগস কাপ কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো জানিয়েছেন, এই ম্যাচে মেসির প্রথম একাদশে ফেরার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। চোট সমস্যার জন্য আলাদাভাবে অনুশীলন করছেন তিনি।

গত শনিবার (১৬ আগস্ট) এলএ গ্যালাক্সির বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে একটি গোল ও অ্যাসিস্ট করেন তিনি। তবে মাশচেরানো জানিয়েছেন, খেলার সময় মেসি শতভাগ ফিট অনুভব করেননি।



এ ব্যাপারে মায়ামির কোচ বলেন, 'লিও দলের সঙ্গে অনুশীলন করেনি, আলাদাভাবে করেছে। খেলায় যে অস্বস্তি অনুভব করেছিল, সেটা এখনো আছে। কালকের অনুশীলনের পর দেখা যাবে কী হয়। তবে তাকে এখনো বাদ দেওয়া হয়নি। সে খেলবে কি না—এখনই বলা সম্ভব নয়। সবকিছু নির্ভর করছে তার অনুভূতির ওপর।'

ইন্টার মায়ামি ২০২৩ সালে প্রথম লিগস কাপ জিতেছিল, যেখানে তারা ন্যাশভিল এসসিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ট্রফি তুলে ধরে।

Tuesday, August 19, 2025

পিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নতুন ১২ খেলোয়াড়, আরও যারা আছেন

পিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নতুন ১২ খেলোয়াড়, আরও যারা আছেন

২০২৫-২৬ মৌসুমের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ৩০ পুরুষ ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই চুক্তি আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।


 ২০২৫-২৬ মৌসুমে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করেছে পিসিবি। ছবি: পিসিবি

কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বড় চমক হচ্ছে 'এ' ক্যাটাগরিতে কোনো খেলোয়াড়কেই জায়গা দেয়নি পিসিবি। 'বি', 'সি' ও 'ডি' ক্যাটাগরির প্রত্যেকটিতে জায়গা পেয়েছেন ১০জন করে খেলোয়াড়।  


গত বছরের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৭ জন চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় থাকলেও  এবছর পিসিবি সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করেছে। এর মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ১২ জন খেলোয়াড়। উদীয়মান প্রতিভাবানদের প্রতি আস্থা এবং স্কোয়াডের গভীরতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নে কৌশলগত গুরুত্ব দিতেই নতুনদের বেশি করে সুযোগ দিচ্ছে বোর্ড।

কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নতুন করে জায়গা পাওয়ারা হলেন–আহমেদ দানিয়াল, ফাহিম আশরাফ, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হোসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান মির্জা ও সুফিয়ান মুকিম।

গত বছর ভালো পারফরম্যান্সের জন্য সি ক্যাটাগরি থেকে বি ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছেন পাঁচ ক্রিকেটার। তারা হলেন–আবরার আহমেদ, হারিস রউফ, সাইম আয়ুব, সালমান আলী আগা এবং শাদাব খান।
HIGHLIGHTS 

Poco M7 Plus 5G ফোনের বিক্রি আজ 19 আগস্ট দুপুর 12 টা থেকে শুরু হবে

 

পোকো এম৭ প্লাস 5জি ফোনের বিশেষ ফিচার হল যে এতে 7000mAh এর বিশাল ব্যাটারি রয়েছে

 

পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনটি দুটি মডেলে আসে


ভারতে বাজেট সেগামেন্টে পোকো তার নতুন স্মার্টফোন Poco M7 Plus 5G লঞ্চ করেছিল। কোম্পানির দাবি যে এই ফোন তার সেগামেন্টে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাটারি এবং দুর্দান্ত ডিসপ্লে সহ স্মার্টফোন। পোকো এম৭ প্লাস ফোনের বিক্রি আজ 19 আগস্ট দুপুর 12 টা থেকে শুরু হবে। পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনটি Flipkart থেকে কেনা যাবে।

এই 5জি ফোনের বিশেষ ফিচার হল যে এতে 7000mAh এর বিশাল ব্যাটারি রয়েছে। গেমিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য সেরা বিকল্প হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনের দাম এবং স্পেসিফিকেশন কী রয়েছে।

আরও পড়ুন: Jio দিল বড় ঝটকা, চুপিসারে বন্ধ করে দিল 250 টাকার কম দামের এই সস্তা রিচার্জ প্ল্যান, মিলত একগুচ্ছ সুবিধা

ভারতে Poco M7 Plus 5G ফোনের দাম কত এবং অফার কী

পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনটি দুটি মডেলে আসে


  • 6GB RAM+128GB স্টোরেজ মডেলের দাম 13,999 টাকা
  • 8GB RAM+128GB স্টোরেজ মডেলের দাম 14,999 টাকা

এই ফোন আজ থেকে Flipkart সাইটে বিক্রি করা হবে। প্রথম সেলে HDFC, SBI এবং ICICI কার্ড পেমেন্টে 1000 টাকার ইনস্ট্যান্ট ছাড় পাওয়া যাবে। তবে পুরনো স্মার্টফোনে গ্রাহকরা এক্সচেঞ্জ অফারও নিতে পারেন। তবে বলে দি যে এক্সচেঞ্জ বোনাস আপনার পুরনো ফোনের অবস্তা এবং মডেলের উপর নির্ভর করবে।

পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনের ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন কী

ডিসপ্লের কথা বললে, পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনে 6.9-ইঞ্চির FHD+ AMOLED ডিসপ্লে দেওয়া। এটি 144Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। গেমিং এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য এটি একটি ভাল বিকল্প। এতে 850 নিট ব্রাইটনেস দেওয়া।

প্রসেসর হিসেবে পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনটি কোয়ালকম Snapdragon 6s Gen 3 চিপসেটে কাজ করে। ফোনটি 8GB পর্যন্ত RAM এবং 128GB পর্যন্ত স্টোরেজ সহ পেয়ার করা।

ক্যামেরার ক্ষেত্রে পোকো এম৭ প্লাস ৫জি ফোনটি 50 মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা অফার ররে। সেলফি এবং ভিডিও কলিংয়ের ক্ষেত্রে এতে 8 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা পাওয়া যাবে। এটি 1080p ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট করে।

ব্যাটারির ক্ষেত্রে এই ফোনে সবচেয়ে বড় 7000mAh এর সিলিকন কার্বন ব্যাটারি রয়েছে। কোম্পানির দাবি যে এই ব্যাটারি সাধারণ ব্যবহারে প্রায় 2 দিনের ব্যাকআপ অফার করবে।

অপারেটিং সিস্টাম হিসেবে এই স্মার্টফোন HyperOS 2.0 তে কাজ করে, যা Android 15 এ ভিত্তিতে কাজ করে।

আরও পড়ুন: 5200mAh ব্যাটারি, 50 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সহ Honor X7c 5G ভারতে লঞ্চ, জানুন দাম কত



 এবার কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য কঠিন নিয়ম করছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটি তাদের কমিউনিটি গাইডলাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) এক ব্লগপোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টিকটকের গ্লোবাল ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি প্রধান সন্দীপ গ্রোভার।


তিনি জানান,নতুন গাইডলাইনে প্রতিটি নীতির জন্য সংক্ষিপ্ত সারাংশ দেওয়া থাকবে, যাতে ব্যবহারকারীরা সহজেই বুঝতে পারেন কোনটা অনুমোদিত আর কোনটা নয়। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই নিয়মগুলো কার্যকর হবে।




টিকটক জানায়, নতুন গাইডলাইনে মিথ্যা তথ্য নিয়ে আরও কঠোর নিয়ম আসছে। পাশাপাশি জুয়া, মদ, তামাক, মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র সংক্রান্ত নিয়মগুলো একত্র করে একটি নীতিমালায় আনা হচ্ছে। বুলিং ও হয়রানি সংক্রান্ত নীতিতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

বর্তমানে টিকটকে জরুরি পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি কোনো ভিডিও যাচাই ছাড়া ‘ফর ইউ ফিড’-এ দেখানো হয় না। নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বড় ধরনের সংকট বা নাগরিক ঘটনা সম্পর্কিত ভিডিওগুলোও যাচাইয়ের আগে একইভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

নতুন নীতিমালায় অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিচারস বিভাগেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে টিকটকে লাইভ চলাকালে যা কিছু ঘটবে, তার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে নির্মাতার হবে। এমনকি ভয়েস-টু-টেক্সটের মতো তৃতীয় পক্ষের কোনো টুল ব্যবহার করে ক্ষতিকর মন্তব্য প্রচার করলেও দায় এড়াতে পারবেন না নির্মাতা।

বর্তমানে টিকটকের গাইডলাইনের মূল পেজে কনটেন্ট মডারেশন সংক্রান্ত নিয়মগুলোর প্রাধান্য রয়েছে। কিন্তু নতুন নীতিমালায় নিরাপত্তা, মানসিক ও আচরণগত স্বাস্থ্য, সংবেদনশীল ও প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়, সততা ও স্বচ্ছতা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও গোপনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মানহীন ভিডিওর পাশাপাশি দুশ্চিন্তা বা ভয় ধরানো ভিডিওগুলো ব্যবহারকারীদের কাছে রিকমেন্ড করা হবে না।



এ ছাড়া মন্তব্য সংক্রান্ত নীতিতেও আসছে পরিবর্তন। টিকটক জানিয়েছে, আলোচনায় অশ্লীল ভাষা বা আক্রমণাত্মক বক্তব্য থাকলে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্চ অপশনের নিচের দিকে সরিয়ে দেওয়া হবে। গ্রোভার জানিয়েছেন, নির্মাতা, বিশেষজ্ঞ ও আঞ্চলিক পরামর্শক কাউন্সিলের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিনিময়ের ভিত্তিতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নীতিমালা কার্যকর করতে মানবসম্পদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

টিকটকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীরা চাইলে বর্তমান কমিউনিটি গাইডলাইন ও ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হতে যাওয়া নতুন গাইডলাইন একসঙ্গে তুলনা করে দেখতে পারবেন। এতে করে যে কোনো নির্মাতা বা ব্যবহারকারী সহজেই বুঝতে পারবেন, ঠিক কোন কোন নিয়মে পরিবর্তন এসেছে এবং তা কীভাবে তাদের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে।

সূত্র: ম্যাশেবল।

InfoHubBD.com

এসএসসিতে পাঠদান ও পরীক্ষাকাঠামোতে যে সংস্কার জরুরি

এসএসসিতে পাঠদান ও পরীক্ষাকাঠামোতে যে সংস্কার জরুরি

   এসএসসি পরীক্ষা । InfoHUbBD.com ফাইল ছবি

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এসএসসি পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ বছরের শিক্ষার একটা জাতীয় স্বীকৃতি। নব্বইয়ের দশকেও এই পরীক্ষায় গড়ে ৪০-৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করত। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করত। সেটাই ছিল অনেকটা প্রতিষ্ঠিত ও স্বাভাবিক চিত্র।

কিন্তু তখনো সরকার এই ব্যাপক ফেলের সমাধানের লক্ষ‍্যে দীর্ঘমেয়াদি, কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি; বরং শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, স্কুলে স্কুলে রাজনৈতিক প্রভাবযুক্ত কমিটি ইত‍্যাদি বিভিন্ন বিষয় শিক্ষার গুণগত মানকে আরও খারাপই করেছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণেও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।

বিগত এক দশকে সরকারি নির্দেশে, এসএসসিতে পাসের হার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। ৮০-৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘পাস’ করছে, এমন এক বাস্তবতায় আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। যেখানে প্রকৃত যোগ্যতার মূল্যায়ন অনেক সময়েই উপেক্ষিত হয়েছে। পাস করা শিক্ষার্থীরা কতটুকু জেনে পাস করছে, সেসব বিষয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।


এই পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের এসএসসি ফলাফল এক বিস্ময় জাগিয়েছে। এ বছর প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পাস করেছে গড়ে ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। বাকি ৩২ শতাংশ, তথা ৬ লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। ২০০০ সালের আগেও দেশে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই ছিল ৬-৭ লাখ; অর্থাৎ শুধু ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা একসময়কার পুরো দেশের পরীক্ষার্থীর সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এটাকে আমি সংকট হিসেবেই দেখি।

‘ম্যাট্রিক ফেল’, বাংলাদেশে এটি একটি ভয়ংকর সামাজিক ট্যাবু। যারা ফেল করেছে, তাদের মানসিক অবস্থা কল্পনা করলেই বোঝা যায়, এই বয়সে তারা কতটা ভেঙে পড়ে। অনেকেই পড়াশোনা ছেড়ে দেয়। কেউ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। আবার কেউ চিরতরে হারিয়ে যায় কর্মসংস্থানের প্রধান স্রোত থেকে। অনেকেই সমাজের বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। এদের মধ‍্যে নারী শিক্ষার্থীদের অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। প্রশ্ন হলো, এই ব্যর্থতা কি শুধুই শিক্ষার্থীর?

নিজের সুন্দর ত্বকের রহস্য ফাঁস করলেন সানি লিওন

নিজের সুন্দর ত্বকের রহস্য ফাঁস করলেন সানি লিওন

InfoHubBD.COm

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:৩৩ এএম

facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
print sharing button
copy sharing button

 বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনের বয়স যেন এখনো ষোড়শী। ৪৪ পেরিয়েও এ অভিনেত্রীর টলমল সৌন্দর্যে মুগ্ধ করে চলেছেন ভক্ত-অনুরাগীদের। দাগ-ছোপহীন, মসৃণ আর ঝলমলে ত্বক দেখে অনেকেই অবাক—কীভাবেই বা এতটা তরতাজা থাকেন বলিপাড়া মাতানো এ অভিনেত্রী?


শুধু প্রসাধনীতে নয়, সানি লিওনের সৌন্দর্যের রহস্য লুকিয়ে আছে তার জীবনযাত্রাতেও। বাইরের তেল-মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলেন তিনি। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে প্রচুর শাকসবজি ও পানি। তার বিশ্বাস— ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে পানির বিকল্প আর কিছু নেই। 


থমকে গেলেন সুস্মিতা

শরীর সচেতন সানি লিওন নিয়মিত যত্ন নেন নিজের—ভেতর থেকে যেমন, ঠিক তেমনই বাইরে থেকেও। তাই আজও উজ্জ্বল তারুণ্য ধরে রেখেছেন। আর এ কারণেই আজও অনেক বলি অভিনেত্রীর ঈর্ষার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন সানি লিওন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানি লিওন নিজেই জানিয়েছেন তার বিউটি সিক্রেট সম্পর্কে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তিনি কখনো ত্বকের পরিচর্যা করতে ভোলেন না। যত্ন নিতে ফেসওয়াশ ও নাইট ক্রিম তার প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী। ঘরোয়া উপায়ের দিকেও তার ঝোঁক প্রবল—অ্যালোভেরা জেল দিয়ে তৈরি মাস্ক তার প্রিয়। ব্রণ বা ফুসকুড়ি দূরে রাখতে এবং ত্বক ঠান্ডা রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার।


Friday, August 15, 2025

Samsung Galaxy Z Fold 7 হয়তো নিখুঁত ভাঁজযোগ্য হতে পারে, এবং অন্যদের জন্য অনুসরণ করার জন্য একটি মান নির্ধারণ করে .

Samsung Galaxy Z Fold 7 হয়তো নিখুঁত ভাঁজযোগ্য হতে পারে, এবং অন্যদের জন্য অনুসরণ করার জন্য একটি মান নির্ধারণ করে .

 আমরা বাংলাদেশে আপনার কেনা উচিত এমন সেরা ফোনগুলি